শুক্রবার, ৮ মে, ২০১৫

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

                                                                     ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
আকাশে অনেক নক্ষত্র থাকে,তবু ভোরের আকাশের শুকতারার দীপ্তি ভোলা যায় না। বাংলার জ্যোতির্ময় পুরুষ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন স্নিগ্ধ উজ্জ্বল ঐ নক্ষত্রটির মত। একবিংশ শতকের ঊষালগ্নে সেই সুদুরের শুকতারার আলো আজও আমাদের সর্বাঙ্গকে উজ্জল করে তোলে।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ খ্রিঃ ২৬ জুন মেদিনীপুর জেলার বীরসিং গ্রামে।

ছেলেবেলায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি কতোখানি মেধাবী ছিলেন, সে সম্পর্কে একটি গল্প আছে। তিনি অত্যন্ত অল্প বয়সে একবার পায়ে হেটেঁ বাবার সাথে কোলকাতায় গিয়েছিলেন। পথে মাইল স্টোনের ইংরেজি সংখ্যার হিসাব গুনতে গুনতে শিখে ফেলেছিলেন ইংরেজি গণনা।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ই সর্বপ্রথম বাংলা গদ্য সাহিত্যকে সাবলীলতা , নবরুপ ও গাম্ভীর্য দান করেন।শুধু সাহত্য কর্ম নয় , শিক্ষা বিস্তারেও  তার ছিল বিশেষ অবদান। তিনি বহু স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি বিধবা বিবাহের পক্ষে শাস্ত্রীয় মতামত প্রকাশ করেন ১৮৫৫ খ্রিঃ। ১৮৫৬ খ্রিঃ ২৬ জুলাই গভর্ণর জেনারেল -এর সম্মতি ক্রমে এটি আইনে পরিণত হয়। শুধু বিধবা বিবাহ নয়, তিনি বহু বিবাহের বিপক্ষেও চিরকাল সংগ্রাম করে গেছেন।

১৮১৯ খ্রিঃ ২৯ জুলাই ৭১ বছর বয়সে তিনি পরলোকগমণ করেন।

তার লেখা কয়েকটি গ্রন্থের নাম  ঃ বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তি বিলাস ইত্যাদি।




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন